শনিবার ১৩ জুন ২০২৬
Online Edition

যাদুকাটা নদীর পাড় কাটা ও চাঁদাবাজি বন্ধের দাবীতে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের মানববন্ধন

 à¦¸à§à¦¨à¦¾à¦®à¦—ঞ্জ সংবাদদাতা:   সুনামগঞ্জের যাদুকাটা নদীর পাড়কাটা ও চাঁদাবাজি বন্ধের দাবীতে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের  উদ্দ্যোগে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে।

শনিবার( ২৫) জানুয়ারী বিকালে জেলার তাহিরপুর উপজেলার যাদুকাটা নদী তীরবর্তী শিমুল বাগানে এই কর্মসুচী পালন করা হয়।

মানববন্ধনে সুনামগঞ্জ পৌর শ্রমিক কল্যান ফেডারেশনের সভাপতি মো: জসিম উদ্দিনের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন জেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের উপদেষ্টা অধ্যাপক মু আব্দুল্লাহ, সুনামগঞ্জ জেলা শ্রমিক কল্যান ফেডারেশনের সভাপতি মোমতাজুল হাসান আবেদ, সেক্রেটারি লুতফুর রহমান দুলাল, সদর উপজেলা সভাপতি কাজী হাসান আলী মাস্টার।

মানবন্ধনে বক্তারা বলেন সীমান্ত নদী যাদুকাটার পাড়কেটে ও শেইফ মেশিন ব্যবহার করে এক শ্রেনীর কুচক্রী মহল নদীটাকে সাগরে পরিনত করছে। এরকম পাড়কাটা অব্যাহত থাকলে নদীর পার্শ্ববর্তী গ্রামগুলি কিছু দিনের মধ্যেই বিলীন হয়ে যাবে।

বক্তারা আরো বলেন সাধারণ শ্রমিকদের হয়রানি, নৌযানে চাঁদাবাজি বন্ধ না হলে শ্রমিক জনতাকে সাথে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে কঠোর কর্মসূচি ঘোষনা করা হবে হুসিয়ারী উচ্চারণ করেন তারা। 
প্রসঙ্গত, যাদুকাটা নদীর পাড় কেটে বালি পাথর উত্তোল, পরিবেশধ্বংসী ড্রেজার মেশিন চালানো ও নৌপথে বালি পাথর বহনকারী নৌযান থেকে চাঁদা আদায় দীর্ঘ দিন ধরেই চলে আসছে। এই দখলদারিত্ব বিগত ফ্যাসিবাদী আমলে সরকার দলীয় নেতা-কর্মীদের নিয়ন্ত্রনে থাকলেও ৫ আগষ্টের পর মালিকানার হাত বদল হয়েছে মাত্র। দখল চাঁদাবাজি পাড়কাটা রয়ে গেছে আগের মতই। দখল পাল্টা দখল ও ভাগবন্টন নিয়ে নিজেদের মধ্যে সংঘাত সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটেছে একাধিকবার।

বিগত ১৩ ফেব্রুয়ারী নদীর তীরবর্তী বিন্নাকুলী বাজারে সংঘর্ষের ঘটনায় বাদাঘাট ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক চান মিয়া মাষ্টার ও আব্দুস সামাদের মধ্যে সংগর্ষে বেশ কয়েকজন আহত হয়। তখন জেলা বিএনপি নেতা কামরুজ্জামান কামরুল ও জুনাব আলীর মধ্যস্থতায় বিবাদ মিটমাট করা হয়। যাদুকাটা নদীর আরেক বালু খেকো হিসেবে পরিচিত রানু মেম্বার পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার হয়। রানু মেম্বার নদী তীরবর্তী ঘাগটিয়া গ্রামের বাসিন্দা ও স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা হিসেবে পরিচিত। মাস খানেক যাবত সে কারাগারে আটক রয়েছে। তবে এলাকাবাসীর অভিযোগ রানু মেম্বার কারাগারে থাকলেও তার চাচা জেলা বিএনপি নেতা আবুল কালাম তার স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন। রানু মেম্বারের বালু উত্তোলনের অবৈধ ব্যাবসা তিনিই বর্তমানে চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে আবুল কালাম অবশ্য রানু মেম্বারের সাথে তার কোন ব্যাবসা নাই বলে দাবি করেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ